পানি খাওয়ার উপকারিতা

পানি খাওয়ার উপকারিতা

পানি কিঃ

পানি হলো  এক ধরনের বর্ণহীন,স্বাদ হীন,গন্ধ হীন,অজৈব রাসায়নিক পদার্থ। পানির রাসায়নিক সংকেত H2O। পানির তিনটি অবস্থা রয়েছে। কঠিন,তরল এবং জলীয় বাষ্প। পানি ছাড়া জীব জগতের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। পৃথিবীতে পানির উৎস গুলো হলো সাগর, নদী নালা, খাল বিল, হ্রদ, ঝরণা, পুকুর,  কূপ ইত্যাদি। তবে সকল পানির মূল উৎস সাগর। বাকি সকল উৎসে পানি চক্রের মাধ্যমে পানি আসে। সমুদ্র বাদে বাকি সকল উৎসই মিঠা পানির উৎস।

পানি চক্র কিঃ

পানি চক্র অথবা জল চক্র হলো পানি বিভিন্ন অবস্থায় পৃথিবীর পানির  এক উৎস থেকে অন্য এক উৎসে চক্রাকারে ঘোরাকে পানি চক্র অথবা জল চক্র বলে।পানি চক্র অথবা জল চক্র এর উপর তাপ শক্তির প্রভাব রয়েছে। তাপ শক্তির প্রভাবে প্রথমে সাগর অথবা মহাসাগর থেকে বাষ্প আকারে আকাশে যায় যা মেঘের আকার ধারণ করে। সেই মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়ে তা ভূমিতে পতিত হয়। পরবর্তীতে তা ভূগর্ভ এর পানি হিসেবে জমা হয়। আবার অনেক মেঘ পাহাড়ের সাথে গিয়ে ঠেকে তুষার পাত হয়। আবার পাহাড়ের শরীর হয়ে তা নদীতে গিয়ে পড়ে আবার নদী হতে তা সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। আবার ভূগর্ভ এর পানি নদি হয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। এভাবে পানি চক্র সংগঠিত হয়।



পানি

 

পানি খাওয়ার উপকারিতাঃ

আমাদের শরীরের জন্য পানি অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ একটি উপাদান। পানি ছাড়া মানুষ বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারে নাহ। আমাদের শরীরের প্রায় ৭০ ভাগই পানি। পানি আমাদের শরীর ঠাণ্ডা রাখে। খাদ্য পরিপাকে পানি প্রয়োজন। এছাড়া পানি পান করার ফলে কিডনি জনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। আমাদের প্রতিদিন প্রায় ২ লিটার পানি করা প্রয়োজন। পানিতে আবার অনেক ধরনের খনিজ লবণ পাওয়া যায় যাহা আমদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ।

পানি দূষণঃ

পানি আমাদের শরীরের জন্য এতো গুরুত্ব পূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের মিঠা পানির উৎস নদি নালা ইত্যাদি অনেক পরিমাণে দূষিত হচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো শিল্পকারখানা এর বর্জ্য। আবার  রাসায়নিক সার এর কারণে পানি দুষিত হয়। বুড়িগঙ্গা নদি এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তাই পানি দূষণ রক্ষায় সবার এগিয়ে আসতে হবে।


ব্লগটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post